ফতুল্লা প্রেস ক্লাব নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হলে সহ্য করা হবে না

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ফতুল্লা প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক রিয়াদ মোঃ চৌধুরীকে নিয়ে লোড আন লোড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা ইমারত নির্মাণ ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন যে বিবৃতি দিয়েছে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের পক্ষে আমরা এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে ফতুল্লা প্রেস ক্লাব। গত বুধবার রাতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবে এক জরুরী সভায় ক্লাব নেতৃবৃন্দ এই নিন্দা জ্ঞাপন করেন।সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ফতুল্লা প্রেস ক্লাব কোন ব্যাক্তির কাছে জিম্মী নয় এবং কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না। এছাড়া প্রেস ক্লাবের যে সমস্ত সদস্য রয়েছে তারা সবাই পেশাদার সাংবাদিক এবং ক্লাবের সকল সদস্য জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত এবং সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রিয়াদ মোঃ চৌধুরীকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ দেয়া হয়নি, তিনি আমাদের নারায়ণগঞ্জ ডটকম নিউজ পোর্টালের প্রকাশক এবং সম্পাদক। প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র ও নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সদস্যদের ন্যায় নিয়ম মেনেই রিয়াদ মোঃ চেধুরীকে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবে প্রথমে তাকে ক্লাবের সদস্য পদ দেয়া হয় এবং একাধিকবার নির্বাচনের মাধ্যমে সে কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়।
সর্বশেষ ২০১৭ইং সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়। উল্লেখ্য, বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, রিয়াদ মোঃ চৌধুরীর শ্বশুর ইমরান হোসেন উল্লেখ করা হলেও মূলত তার শ্বশুরের নাম সৈয়দ রওশন উদ্দিন আহম্মেদ।
বিবৃতিদাতারা রিয়াদ মোঃ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি,হত্যা মামলার আসামী উল্লেখ করলেও মূলত: তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোন মামলা নেই। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নুরুকে ফতুল্লা প্রেস ক্লাব থেকে বের করে দেয়া হয়। সে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন না। মূলত: ফতুল্লা প্রেস কøাব কর্মকর্তাদের সাথে মতনৈকের কারনে তিনি ২০০৩ইং সালে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে ফতুল্লা রিপোর্টার্স ক্লাব গঠন করেন এবং পরবর্তীতে তিনি ফতুল্লা রিপোর্টার্স ক্লাব থেকে বের হয়ে ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটি গঠন এবং ওই সংগঠনেরই সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন।প্রসঙ্গত, পেশাদারিত্বের কারনে কোন সাংবাদিক বিপদগ্রস্ত হলে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো তার পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এটাই স্বাভাবিক। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক হাবিবুর রহমান বাদল,আলামিন প্রধান ও জাবেদ হোসেন জুয়েলের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং আগামীতেও বিপদগ্রস্ত পেশাদার সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়াবো। আগামীতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাব কিংবা ক্লাবের কোন সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সরবরাহ করে কোন বিবৃতি দেয়া হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফতুল্লা প্রেস ক্লাব নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার করা হলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *