খুব শিগগির রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু : মিয়ানমারের মন্ত্রী

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বৃহস্পতিবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে মন্তব্য করে মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাম্পে থাকা বাস্তুচ্যুত লোকজনের সঙ্গে কথা বলা এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ প্রধানত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা।

“এখন আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা অনেক জটিলতা পেরোতে পারব এবং আমি নিশ্চিত যে, যত দ্রুত সম্ভব আমরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।”রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে কি না সে প্রশ্নের জবাবে উইন মিয়াত আয়ে বলেন, মিয়ানমারের আইন অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি তারা ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড নেবে, তত দ্রুত তারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে।
“আইন অনুযায়ী তাদের জাতীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে আসতে হবে, যাতে তারপরে তারা নাগরিকত্ব পেতে পারে।”
প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের হাতে রোহিঙ্গাদের যে তালিকা দেওয়া হয়েছিল তার যাচাই-বাছাই ‘খুব ধীর গতিতে’ হওয়ার কথা স্বীকার করেন মিয়ানমারের মন্ত্রী।
“এখন আমরা এই প্রক্রিয়া জোরদার করেছি,” বলেন তিনি।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল-ইউএনডিপির সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাবও করা হয়েছে।
“আমরা এটা খুব শিগগির চূড়ান্ত করতে পারি।”
জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে রাখাইন পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
উইন মিয়াত আয়ে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী। তিনি বুধবার বাংলাদেশে এসে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন।

গত বছর ২৫ অগাস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইনে দমন-পীড়নের মুখে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর দেশটির প্রথম মন্ত্রী হিসেবে রোহিঙ্গা শিবিরে গিয়েছেন উইন মিয়াত আয়ে।
কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা পরিচালিত একটি কমিউনিটি সেন্টারে তিনি প্রায় ৫০ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *