নারায়ণগঞ্জে ১৩টি বিদ্যালয়ে সততা স্টোর কার্যক্রম উদ্বোধন

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

কোমলমতি শিশুদেরকে শুভদ্ধিচর্চার মাধ্যমে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত আধুনিক স্বনির্ভর বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সততা স্টোর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার ভুইগড় এলাকা থেকে শুরু করে নারায়ণগঞ্জ সদরের ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানাসহ উপজেলার ১৩টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত সততা ষ্টোরের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ।
এছাড়াও শহরের গলাচিপায় বালক-বালিকা বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ব্যাগ বিতরণ এবং উপজেলার প্রত্যেকটি স্কুলে ২১০ টি বড় হোয়াইট বোর্ড প্রদান করেন তিনি।

আজ বিকালে নাসিক ১নং ওয়ার্ডের ৯৮নং পাইনাদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১০২ নং শিমরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সততা ষ্টোরের উদ্বোধন শেষে সদর ইউএনও এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাসহুদা পারভীনসহ উপজেলা কর্মচারী প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ জানায়, ছোট বেলা থেকেই কোমলমতি শিশুদেরকে সততা ও নৈতিকতায় তৈরি করতে এ কার্যক্রমটি সরকারি অর্থায়নে হাতে নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার ১৩টি বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আগামীতে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এ দোকানে কোন বিক্রেতা থাকবে না। শিশুরা কোন কিছু কিনতে চাইলে আগে রেজিষ্টার খাতায় তা লিখে দোকানের পন্যের তালিকা অনুযায়ী ক্রয় করে সে অর্থ নিজ হাতে ক্যাশ বক্সে রেখে আসবে। এতে শিশুরা যে পন্যটি ক্রয় করবে সে পন্যটির নাম এবং মূল্যের অংক খাতায় লেখার কারণে তারা পন্যের নাম ও কত টাকায় ক্রয় করল এবং কত টাকা দিয়ে কত টাকা ফেরত পাবে তা শিখতে পারবে। দোকানে ক্রেতা না থাকা এবং লেখে টাকা জমা দেয়ার মাধ্যমে সততা ও নৈতকতায় শিশুরা তৈরি হবে। এভাবেই দেশের শিশুদেরকে তৈরি করতে পারলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে।
তিনি আরো বলেন, উপজেলার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে ২০১টি বড় হ্য়োাইট বোর্ড বিতরণ করা হয়েছে। যেহেতু বর্তমানে বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস নেয়া হয়, সেজন্য এ বোর্ড হোয়াইট স্ক্রিনের পরিবর্তে কাজে লাগবে এবং ব্লাকবোর্ডের চাহিদাও পূরণ করবে।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *