ছাত্রলীগকে সমঝোতায় কমিটি গঠনের নির্দেশ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

ছাত্র-ছাত্রীদের কোন রকম ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবেনা জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি আমাদের ছাত্রদের বলতে চাই, কোনো ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম (ভ্যান্ডালিজম) চলবে না। ছাত্ররা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাংচুর করবে, এটা আমি বরদাশত করবো না।

আজ বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ২৯তম দ্বি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সমাঝোতার মাধ্যমে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, স্যাক্রিফাইস করা শিখতে হয়। এবার ছাত্রলীগের বয়স ২৮ বছর ধরা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, যদিও স্বায়ত্বশাসিত। কিন্তু প্রত্যেকটির খরচ দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নির্দেশ দেওয়া আছে, ভাংচুরকারীরা যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাড়িতে ভাংচুর করেছে! আমরাও তো আন্দোলন করেছি। ভিসির বাড়িতে ঢুকে লুটপাট করা, তার রুম ভাঙা, এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা কোনোদিনও ঘটে নাই। ইতোমধ্যে অনেকে ধরা পড়েছে, ধরা পড়বে। লুটপাটে যারে জড়িত তাদেরকেও ধরা হবে। এই ধরনের কোনো ঘটনা আমি আর চাই না। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি শিক্ষকদেরও বলবো, শিক্ষকরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে লাগবে আর তার ফল ছাত্ররা ভোগ করবে সেটাও আমি চাই না।

এর আগে বিকেল চারটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান ছাত্রলীগের বিদায়ী সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে উঠার আগেই জাতীয় সংগীতের তালে তালে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা হয়।

এসময় ছাত্রলীগের ১০৯টি ইউনিটের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগণ সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন। পরে মঞ্চে উঠলে ছাত্রলীগের দুই সহসভাপতি নিশীতা ইকবাল নদী ও নুসরাত জাহান নুপুর ব্যাজ পড়িয়ে দেন প্রধানমন্ত্রীকে। এসময় প্রধানমন্ত্রী ‘স্মৃতির পাতায় ছাত্রলীগ’- নামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এর পরপরই ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মাতৃভূমি সাংস্কৃতিক সংসদ’- এর সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা শুরু হয়।
সংগঠনের শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা। অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক ইমতিয়াজ বাপ্পী অভ্যর্থনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। আরো বক্তব্য রাখেন ২৯তম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুত উপকমিটির আহ্বায়ক কাজী এনায়েত ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরিফুর রহমান লিমন।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বিদায়ী সভাপতি হিসেবে আবেগঘন বক্তব্য রাখেন। সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন সংগঠনের সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *