ফতুল্লা ইউপি‘র ত্রাণের ঢেঁউটিন বিতরণ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে বুধবার সকালে দুঃস্থদের মাঝে Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

সেই রনির বিরুদ্ধে ফের মারধর-চাঁদা দাবির অভিযোগ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষকে মারধরের ঘটনা না মিটতেই এবার নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বর্ষ বরণ উদযাপন

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বর্নাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা ও পান্তা ইলিশের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বাংলা বর্ষাবরণ Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

চিকিৎসা নিয়ে টালবাহানা : খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে বিএনপির গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিথ্যা সাজানো মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে অমানবিক আচরণ করেও ্যান্ত হননি এখন টার্গেট করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেÑ এমন অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তারেক রহমানকে দেশে ফেরানোর ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছেÑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে তো আওয়ামী বিচার হচ্ছে। এখানে হচ্ছে শেখ হাসিনার বিচার। প্রকৃত আইনের বিচার না। আইনের শাসনকে তারা কালো কাপড় দিয়ে জুড়ে রেখেছে। তার যে মনের ােভ-প্রতিহিংসা সেটার চরিতার্থ করার জন্যই তারেক রহমানকে টার্গেট করেছে। আরও একটি রোডম্যাপ তিনি করেছেন। এটাতে কোনো লাভ হবে না। পৃথিবীর সব দেশ তো শেখ হাসিনার দেশের মতো অগণতান্ত্রিক দেশ না, নিষ্ঠুর নির্দয়ের দেশ না।’ গতকাল বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা নিয়ে আমরা বারবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কারা কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করছে না। বরং স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেনÑ বেগম খালেদা জিয়াকে যথাযথ মর্যাদায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ডাহা মিথ্যাচার। সরকারি মেডিকেল বোর্ড দেশনেত্রীকে অর্থপেডিক বেড দেয়াসহ যেসব চিকিৎসার সুপারিশ করেছিল তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। কারাগারে বেগম খালেদা জিয়ার কোনো চিকিৎসাই হচ্ছে না। বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের দ্বারা যেসব চিকিৎসাসেবা পেতেন সে সুযোগ থেকেও তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন। মনে হচ্ছে এর পেছনে সরকারি কোনো গভীর চক্রান্ত রয়েছে। জাল নথি তৈরি করে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সরকারের নির্দেশিত রায়ে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর সাথে কারা কর্তৃপক্ষ ও সরকার যে ধরনের আচরণ করেছে এবং তাঁর চিকিৎসা নিয়ে যে টালবাহানা করছে তাতে আমরা দেশনেত্রীর জীবন নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও তাঁর জামিন স্থগিত করাও ওই চক্রান্তেরই অংশ। সুতরাং বিশে^র অন্যান্য দেশের নির্দয় স্বৈরশাসকরা তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি নির্মম আচরণের মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বর্তমান বাংলাদেশের স্বৈরশাসকও দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে নির্দয় আচরণ করে তাঁকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলতে মারাত্মক চক্রান্তজাল বুনছে। বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও অসুস্থতাকে আড়াল করতে সরকারের নানা ফন্দিফিকির বন্ধ করে তাঁর নিজস্ব চিকিৎসকদের দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে দেশনেত্রীকে তাঁর পছন্দানুযায়ী রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার জন্য আবারও জোর দাবি জানাচ্ছি। : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্রিটেনের স্বনামধন্য টিভি চ্যানেল ফোর-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিরোধী দল ও মতের ব্যক্তিদের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এটা যুগে যুগে স্বৈরশাসকদেরই একটা আচরণ। শেখ হাসিনার ভাগ্নি ও ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য টিউলিপ সিদ্দিকীকে ব্রিটেনের চ্যানেল ফোর-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গুম-খুন ও নিখোঁজ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিশে^র যেকোনো জায়গায় গুম-খুনের ঘটনা ঘটলে এর নিন্দা জানাই, বাংলাদেশও এর অন্তর্ভুক্ত। আরেক সাংবাদিক বলেন, ব্রিটেনে মানবাধিকার নিয়ে আপনি সোচ্চার, অথচ বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে আপনি চোখ বন্ধ করে রাখতে পারেন না। আপনার খালা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপনি একটা ফোন করলে অনেকের জীবন বেঁচে যেত। টিউলিপ বলেন, আমার খালার সঙ্গে আমি রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা বলি না। তখন সাংবাদিক মন্তব্য করেন যে, এটা সত্য নয়, টিউলিপ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরসঙ্গী হয়ে রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন, তার এই বক্তব্য কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নয়? : বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেও একদিন প্রধানমন্ত্রীকে এর জবাব দিতেই হবে। বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের গুম, খুন, অপহরণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন চালিয়ে সরকার পতন ঠেকানো যাবে না। ২০১৬ সালে গ্রেফতার ও আটক নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উৎপীড়নের বিরুদ্ধে বিচারককে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেছিল, কিন্তু সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে শুধু অগ্রাহ্যই করছে না, বরং ঠান্ডা মাথায় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইনবহির্ভূতভাবে গ্রেফতার, পুনঃগ্রেফতার, গ্রেফতার না দেখিয়ে আটক করে রাখাসহ অবিরাম নিষ্ঠুর পৈশাচিক নিপীড়ন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি এর হাড়হিম করা ঘটনা হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতাকে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে তুলে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে এসব বিষয়ে সরকার নিশ্চল, নিশ্চুপ এবং দুষ্কর্মের সহায়তাকারী। সুতরাং এই ঘটনা আইনের শাসনের চোখেই কালো কাপড় বাঁধার শামিল। : তিনি আরো বলেন, আমরা ইতিপূর্বেই বলেছিলাম, ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মুখে রাগান্বিত ও ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক চাকরিতে সম্পূর্ণ কোটা প্রত্যাহার করে নেয়া এক ভয়ঙ্কর দুরভিসন্ধির অংশ। এখন এই দুরভিসন্ধির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর সরকারের বিপজ্জনক আক্রমণের ছোবলের মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ দেশের সমগ্র শিক্ষাঙ্গনে আতঙ্কের ছায়া বিস্তার লাভ করেছে। আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা অজানা আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। কাকে কখন অদৃশ্য করা হবে এই ভয়ে তারা দিশেহারা। সরকারের আগ্রাসী বাহিনীর বিষাক্ত থাবা এখন ক্যাম্পাসগুলোর ওপর ঝাপটা মারতে শুরু করেছে। তবে অবৈধ সরকারের অনাচারে বিশ^াসী আইনশৃঙ্খলার নানা বাহিনীর আগ্রাসী ছোবল সত্ত্বেও তারুণ্যদীপ্ত ছাত্ররা অতীত ঐতিহ্যের অহংকারে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, ন্যায্য দাবির পক্ষে আপসহীন পতাকাবাহী হয়ে এগিয়ে চলবে। ছাত্ররাই সকল স্বৈরাচারের নির্মম শৃঙ্খলের ব্যারিকেড ভাঙার অগ্রদূত। এরা ’৫২ থেকে এখন পর্যন্ত কুৎসিত, কদর্য একনায়কতন্ত্রের হুমকির মুখেও বুক চিতিয়ে বুলেট বরণ করতে প্রস্তুত। এরা হতমানে অপমানে নয়, সুখ-সম্মানে বাঁচার/অধিকার কাড়তে দাস্যের নির্মোক ছাড়তে অগণিত/ছাত্রদের প্রাণপণ যুদ্ধ চলবেই চলবেই/তাদের সংগ্রাম চলবেই। বিশে^র অন্যান্য দেশের স্বৈরশাসকের যেভাবে পতন হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান স্বৈরশাসকের পতনও হবে একইভাবে, যা অত্যাসন্ন। : সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি মশিউর রহমান কেন্দ্র ঘোষিত কর্মিসভার কর্মসূচি পালন করতে গেলে পুলিশ কোনো কারণ ছাড়াই কর্মসূচি করতে দেয়নি। উল্টো পুলিশ মশিউর রহমানকে তার বাসায় অবরুদ্ধ করে রাখে। এটা আওয়ামী শাসনের চিরপরিচিত নমুনা। দুর্বৃত্তদের শাসন যতদিন অব্যাহত থাকবে ততদিনই গণতন্ত্রের চোখে তারা কালো কাপড় বেঁধে রাখবে। আমি উক্ত ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এছাড়া গতকাল দিনাজপুরে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মিসভা করতে দেয়নি পুলিশ। পুলিশ দিনাজপুর বিএনপি অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। আমি পুলিশের এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাই। তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা কলেজ শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি এইচ এম রাশেদকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বংশাল থানা বিএনপি নেতা তাজউদ্দিন তাইজুকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি তাদের গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। : সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সরোয়ার, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির, দ্রঋণবিষয়ক সম্পাদক এম এ মালেক, সহ-দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ। : :

 

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

আবারো ছাত্র ধর্মঘট ৭ দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না হলে

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় করা সব মামলা প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সাত দিন সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরণ পরিষদ। : পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূর গতকাল বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে সারা দেশে সব শিা প্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাস-পরীা বর্জন করা হবে। : সরকারি চাকরির কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে গত ৮ এপ্রিল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় পুলিশ ও ছাত্রলীগের। রাতভর ওই সংঘর্ষের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলা চালিয়ে প্রায় সব কিছু ভাঙচুর করা হয়। এসব ঘটনায় পাঁচটি মামলা করা হয়। অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে দায়ের করা ওইসব মামলার কারণে সাধারণ শিার্থীরা হয়রানি- আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন জানিয়ে নূর বলেন, হামলার ঘটনার ভিডিও দেখে ‘প্রকৃত আসামিদের’ চিহ্নিত করে মামলায় আসামি করতে হবে। “শিার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে আমাদের এই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীদের নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সেজন্য আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী এবং সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী প্রত্যেক শিার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।” বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরণ পরিষদের ব্যানারে ওই আন্দোলনের মধ্যে ১১ এপ্রিল সারা দেশে উচ্চ শিা প্রতিষ্ঠানের শিার্থীরা কাস-পরীা বর্জন করে রাস্তায় নামে। বিােভ আর সড়ক অবরোধে কার্যত অচল হয়ে যায় রাজধানীর রাজপথ। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে এই আন্দোলন নিয়ে ােভ প্রকাশ করে বলেন, কোটা নিয়ে যেহেতু এত কিছু অহেতু কোনো কোটাই আর রাখা হবে না। পরদিন কয়েকটি দাবি রেখে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরণ পরিষদ। : গতকাল বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন, অতি দ্রুত তার প্রজ্ঞাপন জারি করে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করছি আমরা।” : পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন ও মুহম্মদ রাশেদ খান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও আহ্বায়ক হাসান আল মামুন ছিলেন না। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মামুন টেলিফোনে বলেন, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মাঠে ফুটবল খেলা থাকায় তিনি সেখানে আছেন, সংবাদ সম্মেলনে আসতে পারেননি। : :

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা। তারা বলেছেন, ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন হলে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ। মতাসীন দল আওয়ামী লীগের প থেকে বলা হচ্ছে ‘বর্তমান সংসদ বহাল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ যে সংসদে ৩৫০ জন অত্যন্ত মতাধর এমপি বহাল থাকবেন, সেখানে একটি সুষ্ঠু বা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। একদল নির্বাচনের প্রচারণা চালাচ্ছে, আরেক দল ঘর থেকে বেরও হতে পারছে না। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন বলছে, তফসিল ঘোষণার আগে আমাদের কিছুই করণীয় নেই। অথচ নির্বাচন কমিশন চাইলে এটা বন্ধ করতে পারে। তাদের সেই মতা আছে। গতকাল বুধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ সেমিনার হলে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘অবাধ নিরপে অর্থবহ নির্বাচন, নির্বাচনকালীন সরকার, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে সিপিবি ও বাসদ। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। সভায় সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নিরপে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ায় মাশুল দিতে হবে মতাসীনদের। দেশে এখন বিশ্বাসযোগ্য ও সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দরকার। ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংবিধান আনুযায়ী দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হওয়া দরকার। নিরপে নির্বাচন হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনে আছে। যে ভোট দেওয়ার উপযুক্ত হয়েছেন তাকে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে দেওয়া। তিনি বলেন, বিগত ২০০৭ সালে ইসিতে নির্বাচন আইনের ব্যাপক সংস্কার হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে এ সংস্কার আমি প্রস্তাব দেওয়ার পর তা গ্রহণ করেছে। মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি না বদলালে সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনে কারচুপি, কারসাজি, পপাতিত্ব ও জালিয়াতি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে হয়েছে। : বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র ইমিটেশন অলঙ্কারের মতো। আসল অলঙ্কার ও ইমিটেশন অলঙ্কারের মধ্যে তফাৎ রয়েছে। কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে যে সংসদ গঠন হয়, তা হচ্ছে মূল্যহীন ইমিটেশন অলঙ্কার। তাই মনে রাখতে হবে আমরা আসল অলঙ্কার চাই, ইমিটেশন অলঙ্কার চাই না।’ : তিনি আরও বলেন, ‘ভালো নির্বাচন করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে গণতন্ত্রমনা ও শক্তিশালী হতে হবে। তাদের মেরুদন্ড সোজা করে দাঁড়াতে হবে। কারণ, একটি ভালো নির্বাচন জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। আর সংসদ বহাল রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়।’ : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম. হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, ‘মতাসীন দল থেকে বলা হচ্ছে ‘আগামী নির্বাচনে সংসদ বহাল থাকবে।’ যেখানে ৩৫০ জন অত্যন্ত মতাধর ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন, সেখানে ভালো বা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ার সুযোগ আছে বলে আমি বিশ্বাস করি না। আমি মনে করি, আপনারাও এটা বিশ্বাস করেন না। আমরা এটা নির্বাচন কমিশনেও বলে আসছি। কিন্তু এ ব্যাপারে কেউ কোনও কথাই বলছেন না।’ : তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে কি হবে না, এ ব্যাপারে সরকারের কোনও সাড়া নেই। এটা তো সংবিধান পরিপন্থী না। সংবিধানে সংসদ ভেঙে দেওয়ার কথা পরিষ্কারভাবে আছে। সুতরাং এটা করতে তো সংবিধান লঙ্ঘন করা হবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সংবিধানে তো সংসদ ভেঙে দেওয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলা নেই। যেভাবে দেশে এখন নির্বাচন হচ্ছে, তাতে নিরপে নির্বাচন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।’ : হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট রানা দাসগুপ্ত বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের আর ছয় মাস বাকি আছে। এসময়ে এত বড় সংস্কার করা সম্ভব বলে আমি মনে করি না। এ সময়ের মধ্যে ছোট করে কী কী বিষয় সংস্কার করা যায়, তা আমাদের সবাইকে বসে ঠিক করতে হবে। আমাদের দেশে এখনও আমার ভোট আমি দেবো, এর বাস্তবায়ন হয়নি। কেউ যদি ধর্মের দোহাই দিয়ে ভোট চান, তাহলে প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ধর্ম একটা নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধর্ম যার যার থাকবে। এটাকে রাজনীতি এবং সংবিধান থেকে বাদ দিতে হবে। আমাদের কাছে নির্বাচন মানে নির্যাতন। সে জায়গা থেকে বের হতে হবে।’ : সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ১৮ দফা দাবিতে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় পদযাত্রা ও পথসভা করা হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে শাসকেরা প্রহসন ও তামাশা করছে। নির্বাচন নিয়ে দেশে অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে দাবি করে এই পরিস্থিতি নিরসন করা একটি জরুরি জাতীয় কর্তব্য হয়ে উঠেছে। এজন্য জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি।’ : অবাধ-নিরপে-অর্থবহ নির্বাচনের জন্য দেশবাসী বহুদিন ধরে সংগ্রাম করছেন উল্লেখ করে এ রাজনীতিক বলেন, ‘কয়েক বার সরকার বদল হয়েছে, কিন্তু দেশে এখনো অবাধ-নিরপে-অর্থবহ নির্বাচনের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়নি। নির্বাচনের নামে শাসকেরা প্রহসন ও তামাশা করে চলেছে।’ নির্বাচন নিয়ে দেশে অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি নিরসন করা একটি জরুরি জাতীয় কর্তব্য হয়ে উঠেছে। এজন্য জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা জরুরি।’ : মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের পাঠ করা ১৮টি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব রাখা, নির্বাচনি ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার, প্রার্থীদের সম্পদ ও পরিচয় প্রকাশ, নির্বাচনে সবার সম-সুযোগ, সন্ত্রাস, পেশীশক্তির প্রভাব ও দুর্বৃত্তমুক্ত নির্বাচন, নির্বাচনে ধর্ম সাম্প্রদায়িকতা ও আঞ্চলিকতার অপব্যবহার রোধ, রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক চর্চা, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি অনুসরণ, নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন, প্রতিনিধি করার ব্যবস্থা প্রবর্তন, না ভোট পুনর্প্রচলন, ভোটার তালিকা ও সবার ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ ও নির্বাচন পরিচালনায় হস্তপে না করা, নির্বাচন কমিশন আইন ও বিধি সংস্কার। : বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাম মোর্চার সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণফোরামের নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পংকজ ভট্টাচার্য, নাগরিক ঐক্যের নেতা এসএম আকরাম হোসেন, কাজল দেবনাথ প্রমুখ। : : :

 

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

খুব শিগগির রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু : মিয়ানমারের মন্ত্রী

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বৃহস্পতিবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে মন্তব্য করে মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাম্পে থাকা বাস্তুচ্যুত লোকজনের সঙ্গে কথা বলা এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ প্রধানত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা।

“এখন আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা অনেক জটিলতা পেরোতে পারব এবং আমি নিশ্চিত যে, যত দ্রুত সম্ভব আমরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।”রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে কি না সে প্রশ্নের জবাবে উইন মিয়াত আয়ে বলেন, মিয়ানমারের আইন অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি তারা ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড নেবে, তত দ্রুত তারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে।
“আইন অনুযায়ী তাদের জাতীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে আসতে হবে, যাতে তারপরে তারা নাগরিকত্ব পেতে পারে।”
প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের হাতে রোহিঙ্গাদের যে তালিকা দেওয়া হয়েছিল তার যাচাই-বাছাই ‘খুব ধীর গতিতে’ হওয়ার কথা স্বীকার করেন মিয়ানমারের মন্ত্রী।
“এখন আমরা এই প্রক্রিয়া জোরদার করেছি,” বলেন তিনি।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল-ইউএনডিপির সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাবও করা হয়েছে।
“আমরা এটা খুব শিগগির চূড়ান্ত করতে পারি।”
জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে রাখাইন পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
উইন মিয়াত আয়ে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী। তিনি বুধবার বাংলাদেশে এসে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন।

গত বছর ২৫ অগাস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইনে দমন-পীড়নের মুখে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর দেশটির প্রথম মন্ত্রী হিসেবে রোহিঙ্গা শিবিরে গিয়েছেন উইন মিয়াত আয়ে।
কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা পরিচালিত একটি কমিউনিটি সেন্টারে তিনি প্রায় ৫০ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

টস জিতে বোলিংয়ে সাকিবের হায়দরাবাদ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। এ ম্যাচ শুধু দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির লড়াইই নয় বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য তাদের প্রিয় দুই খেলোয়াড়ের লড়াই।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নেমেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। হায়দরাবাদের হয়ে খেলছেন সাকিব আল হাসান। তার প্রতিপক্ষ মুম্বাইয়ে রয়েছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। তাছাড়া নিজের পুরোনো দলের বিপক্ষে প্রথমবার মাঠে নামবেন মুস্তাফিজও।

এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হায়দরাবাদ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এক উইকেট হারিয়ে ২ ওভারে ১৭ রান সংগ্রহ করেছে মুম্বাই।

টসে নামার আগেই হায়দরবাদের মাঠকে লাকি ভেন্যু আখ্যা দিয়েছিলেন মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তবে সেই ‘লাক’ আর কাজ করেনি টসের ক্ষেত্রে। তবে টস হারলেও হায়দরাবাদের মাঠের অতীত ইতিহাসের কারণে আগে ব্যাট করতেও কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয় মুম্বাইয়ের। কেননা এই স্টেডিয়ামে এখনো পর্যন্ত হওয়া ৭৫ শতাংশ ম্যাচই জিতেছে আগে ব্যাট করা দল।
গত ৭ এপ্রিল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে এক উইকেটে হেরেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। আর গত ৯ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে নয় উইকেটে জয় পায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
এর আগে সাকিব আল হাসান কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেললেও এবার খেলছেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে। আর ২০১৬ ও ২০১৭ সালের আসরে মুস্তাফিজুর রহমান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেললেও এবার মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলছেন।

মুম্বাই ইন্ডিয়ানস
রোহিত শর্ম, এভিন লুইস, ইশান কিশান, সুরইয়া কুমার যাদব, ক্রুনাল পান্ডে, কাআরিন পোলার্ড, বেন কাটিং, জাসপ্রিত বুমরাহ, মুস্তাফিজুর রহমান, মায়ানক মারকান্দে, প্রদীপ সাংওয়ান।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
ঋদ্দিমান সাহা, শেখর ধাওয়ান, কেন উইলিয়ামস, মনিশ পান্ডে, দীপক হুদা, ইউসুফ পাঠান, সাকিব আল হাসান, রশিদ খান, বিলি স্ট্যানলেক, সিদ্ধার্থ কাউল, সন্দ্বীপ শর্মা।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

সিরিয়ায় কখন হামলা হবে, তা আমি বলিনি : ট্রাম্প

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিরিয়ায় কখন হামলা করা হবে, তা আমি কখনোই বলিনি। বৃহস্পতিবার এক টুইটে তিনি এ কথা বলেন।

ট্রাম্প বলেন, হামলা কখন হবে আমি তা স্পষ্ট করিনি। হামলা খুব শিগগিরই হতে পারে, আবার খুব শিগগিরই নাও হতে পারে।

তার প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে দায়েশ নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তবে বাস্তবতা হচ্ছে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণে দেখা গেছে, দায়েশ সৃষ্টিতে আমেরিকার ভূমিকা ছিল এবং নানাভাবে ওই গোষ্ঠীকে তারা মদদ দিয়েছে।

গতকালের টুইটে ট্রাম্প সিরিয়ায় স্মার্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হবে বলে ঘোষণা করে বলেছিলেন, রাশিয়া প্রস্তুত হও। চমৎকার স্মার্ট বোমা আসছে।

এরপরই ধারণা করা হচ্ছিল খুব শিগগিরই সিরিয়ায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করতে পারে আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো। তবে রাশিয়া এর আগে বলে রেখেছে, সিরিয়া লক্ষ্য করে ছোড়া যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হবে।

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

‘এতদিন ভয়ে কিছু বলিনি, এশা আপু প্রতিদিন মেয়েদের মারে’

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

‘প্রতিদিন আমাদের মারধর করে। হলের সভাপতি ইশরাত জাহান এশা আপু প্রতিদিন মেয়েদের মারে। ভিডিও Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn