পহেলা বৈশাখের ইতিহাস, উৎপত্তি

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

রনজিৎ মোদক : পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এটি Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

কোটা সংস্কার আন্দোলন: কী পেলাম কী হারালাম

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

॥মাসুদা ভাট্টি॥

ঘটনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের জনসভায় ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন—সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা থেকে পদ পূরণ করা না গেলে মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে। বেশ কয়েক মাস ধরে চলে আসা কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘোষণা বেশ একটি স্বস্তির প্রলেপ ছিল। কিন্তু গত ৫ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কোটাবিষয়ক যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি প্রায় উল্টেই যায়। তারা বলতে চান যে, কোটা পূরণ না হলে পুনরায় কোটা থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে। একেবারে শেষে এসেও যদি কোটায় পদ পূরণ না হয়, তাহলেই কেবল মেধায় যাওয়া হবে। কেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরও এরকম একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো, সে বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্ন চলে আসে সামনে। এক. প্রধানমন্ত্র্রীকে আন্দোলনকারীদের সামনে মূল্যহীন করা; দুই. আন্দোলনকারীদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে উসকে দেওয়া; তিন. প্রশাসনে সরকারবিরোধীদের কাজ; চার. যারা একসময় কোটা-প্রথার ভেতর দিয়েই সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত হয়েছেন, তারা তরুণদেরও সেভাবেই নিয়োজিত হতে দেখতে চাইছেন; পাঁচ. যেহেতু তারা সরকারি চাকরিতে ঢুকে এরই মধ্যে তাদের শ্রেণি পরিবর্তন করে ফেলেছেন, সেহেতু তাদের ছেলেমেয়েদের আর সরকারি চাকরি করতে হবে না ভেবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অগ্রাহ্য করছেন।

দুর্ঘটনা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন বের হওয়ার পরপরই কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হতে শুরু করে। শাহবাগে রাস্তা অফিস ফেরত মানুষের জন্য যখন ভোগান্তির কারণ হয়, তখন পুলিশ একটু বেশিই তৎপর হয়ে জল-কামান, টিয়ার শেল ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে রাস্তায় নেমে যে দাবি জানানো হলো, তাকেও সরকারবিরোধী ভেবে ছাত্রলীগের মুহুর্মুহু পাল্টা প্রতিবাদী মিছিল করাকে আন্দোলনকারীদের কাছে উসকানিমূলক মনে হতেই পারে। কিন্তু এই কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ভয়াবহ গুজব ছড়ানো হলো, তা ছিল ভয়ঙ্কর এবং ভবিষ্যতে যেকোনও আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক ইঙ্গিত। হঠকারী একদল আন্দোলনকারী গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি’র বাসভবনে যে ভাবে হামলা চালায়, তা ছিল আমাদের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসকে চির কলঙ্কিত করার জন্য যথেষ্ট একটি ঘটনা। এর সঙ্গে যখন দেশের মিডিয়াকর্মীদের ওপর আক্রমণ করা হলো, পুলিশ সদস্যদের ধরে পেটানো হলো, তখন একটি যৌক্তিক কোটা সংস্কার আন্দোলন আর কোনোভাবেই যৌক্তিক থাকলো না, হয়ে উঠলো নিন্দনীয় ও ভয়ঙ্কর একটি দুর্ঘটনা। রাতভর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে যেভাবে গুজব ও সত্য-মিথ্যা দিয়ে এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী ও গণবিরোধী হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হলো, তাতে লাভ হলো তাদেরই, যারা এই আন্দোলনকে বে-হাত করে তা থেকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিলেন।

আলোচনা-প্রত্যাখ্যান-কঠোরতা

সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের প্রথম রাতেই আহ্বান জানানো হয়েছিল আলোচনায় বসার জন্য। তাও কার সঙ্গে? সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী, দলের সাধারণ সম্পাদক ও এক সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে। আমরা জানতে পারলাম যে, আন্দোলনকারী তরুণদের একটি দল এই সিনিয়র মন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে মুখোমুখি বসেছেন। এদেশে অনেকদিন এরকম সুন্দর দৃশ্য আমরা দেখিনি। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসা হয়েছে—এটাই আধুনিকতা, এটাই কাম্য। আলোচনায় বসে দুই পক্ষের সম্মতিতে ঠিক হলো, ৭ই মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত থাকবে এবং পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে ঠিক করা হবে কোটাপদ্ধতি। এমনকি কেবিনেট মিটিংয়ে পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কোটা বিষয়ে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে নির্দেশনা দিলেন পদ্ধতি নিয়ে একটি সিদ্ধান্তে আসার জন্য। আলোচনা শেষে ওবায়দুল কাদের চমৎকার ভাষায় আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করলেন এবং আলোচনায় বসা আন্দোলনকারী নেতৃত্ব সাংবাদিকদের সামনে স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে টিএসসি’তে যেতে না যেতেই ঘুরে গেলো তাদের অবস্থান। স্পষ্টতই বিভক্ত হয়ে তারা একদল স্থগিত চাইলো, আরেকদল তক্ষুণি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকলো। কিন্তু রাতভর গুজব আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাতি নিভিয়ে দিয়ে আক্রমণ চালানোর মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষককে পর্যন্ত প্রচারণা চালিয়ে যেতে দেখা গেলো। ওদিকে সরকারের দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রী ভিসি’র বাড়িতে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিলেন, তাদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে হুমকি দিলেন, কিন্তু ঢালাও প্রচার পেলো যে, তিনি আন্দোলনকারীদেরই রাজাকারের বাচ্চা বলেছেন। আর সরকারের অর্থমন্ত্রী কোটা সংস্কারে বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন। তিনি আরেক অনুষ্ঠানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভ্যাট প্রচলনের কথা বলে তাদেরও টেনে আনলেন এই আন্দোলনে। তিনি নিজেই স্বীকার করলেন যে, কী কথায় কী বলে ফেলেছেন, কিন্তু সেটা আন্দোলনকারীরা মানবে কেন? তাদের পেছনে তো ততক্ষণে ‘রাজনীতির ফেউ’ লেগে গেছে। এই উসিলায় তাদের দিয়েই সরকারকে উৎখাত করা গেলে এতদিন ধরে তারা যে কাজটিতে ব্যর্থ হয়েছেন, সেটি তো অনায়াসেই হয়ে যাচ্ছে, তাই না? ফলে শুরু হলো দেশব্যাপী রাস্তা দখল করে আন্দোলন, জনগণের জীবনকে বিপন্ন করে, ঝুঁকির মুখে মানুষকে জিম্মি করে কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংসই হয়ে উঠলো।

কার জন্য কোটা? কত ভাগ? কীভাবে ঠিক হলো?

কোটা সংস্কার করা হোক—এই দাবি নিয়ে রাজপথে নেমে তা কীভাবে, কার জন্য, কত ভাগ দেওয়া হবে, সে সম্পর্কে কোনও রকম গবেষণা/নিরীক্ষা ছাড়াই সংস্কারের দাবিকে যৌক্তিক বলা যায় কিনা, সে প্রশ্ন তোলাই যেতে পারে। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা হলো, কোটার যে হিসাব চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতেই রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি। কিন্তু তাতেও সমস্যা নেই, ফাঁকি থেকেই যদি সুষ্ঠু কিছু বেরিয়ে আসে, তাহলে ফাঁকিই সই। কিন্তু সেই ফাঁকিকেই যে এতটা নগ্ন ও নোংরা করে তোলা হবে, সেটা জানা গেলো তখনই, যখন রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করা হলো, মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হলো দেদারছে, পুরো আন্দোলনকে নিয়ে যাওয়া হলো ভিন্ন পথে—যেখানে দাঁড়িয়ে এই আন্দোলনকে সরকারবিরোধী ভাবার সমস্ত উপকরণ ছিল। মজার ব্যাপার হলো, কীভাবে কোটা সংস্কার হবে বা কাকে রেখে কাকে বাদ দেওয়া হবে, সেটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের একাত্মতা প্রকাশের কোনও নজির কোথাও দেখা যায়নি। বরং উল্টোটা দেখা গেছে যে, রাষ্ট্রকেই আন্দোলনকারীরা প্রতিপক্ষ বানিয়ে একটি ঘোষিত যুদ্ধে নেমেছিল। ভিসির বাড়িতে আক্রমণ, আলোচনায় বসে নেওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা, রাষ্ট্রের ওয়েবসাইট হ্যাক করা এবং রাস্তা দখল করে জনজীবনকে হেনস্থা করাটা কোনোভাবেই সুস্থ আন্দোলনের পরিচায়ক হতে পারে না। গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে এই আন্দোলনের ছুতোয় কোপানোর চেষ্টাও করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এইসব ঘটনা কি আন্দোলনের যথার্থতা প্রমাণ করে? নাকি এর পেছনে ভয়ঙ্কর কোনো ইঙ্গিতও পাওয়া যায়?

মুক্তিযোদ্ধায় আপত্তি, কিন্তু নারী?

মাত্র দুই লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার জন্য ৩০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখা নিয়েই সবচেয়ে বড় আপত্তি লক্ষ করা গেছে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ‘ভুয়া তালিকা’র ধুয়া তুলে যে সব শব্দচয়ন করা হয়েছে, আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কিন্তু এদেশের নারীর অবস্থান কি এতটাই বদলে গেছে যে, নারীর জন্য ১০ শতাংশ কোটা থাকাটাও আর প্রয়োজন নেই? বাঙালি নারী নাকি অল্পেতেই তুষ্ট—এসব ছেঁদো কথার কাল ফুরিয়েছে বলে মনে হলো না আন্দোলনে নারীর অংশগ্রহণ দেখে। এমনকি ছাত্রী হলগুলো থেকে যেভাবে গুজবের ডালপালা ছড়ানো হলো, তাতে মনে হচ্ছিল যে, নারীরা আর এই কোটা চাইছেন না। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কিংবা প্রতিবন্ধীদের কথা না হয় বাদই দিচ্ছি, এদেশে এমনিতেও এদের কোনও মূল্য নেই।

কোটা বাতিল: নাকের বদলে নরুন পেলাম!

সকল আলোচনা-নিষ্পত্তির পথ বন্ধ করে দুই দিন ধরে যখন গোটা দেশটাকে জিম্মি করা হলো, তখন ২০১৩-১৪ সালে এদেশে যে ভয়ঙ্কর দুঃসময় আমরা দেখেছি। তার পুনরাবৃত্তির কথাটাই সর্বাগ্রে সকলের মাথায় আসার কথা। সরকারকেও এর বাইরে রাখাটা উচিত হবে না। দাবি জানানো হয়েছে, দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি এসেছে কিন্তু আন্দোলনকারীরা সে বিষয়টিকে এড়িয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের এক্ষেত্রে কী করণীয় ছিল? কোটা সংস্কার করা নিশ্চয়ই? কিন্তু সংস্কারের রূপরেখা কোথায়? কারা সেটিকে সমর্থন দিচ্ছে বা কারা বিরোধিতা করছে, সেটা কি জানা গেছে? যায়নি। অতএব, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, (আজ ১১ এপ্রিল ২০১৮) তা কোনোভাবেই অযৌক্তিক নয়। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, আলোচনার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটা মানা হয়নি; কোটা থাকলেই কেউ না কেউ মনে করবেন যে, সেটা তার পক্ষে যাচ্ছে না এবং তরুণ নারীরাই যখন চাইছেন যে, তাদের কোটা দরকার নেই, সুতরাং কোটা প্রথাটিই তুলে দেওয়ার পক্ষে তিনি মত দিয়েছেন। এখন আন্দোলনকারীরা হিসাব করুন যে, কে কী পেলেন। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে যারা অভিমান মনে করছেন, তারা প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞাকেই খাটো করছেন। হয়তো তিনি নারী বলেই এ রকমটি ভাবছেন কেউ কেউ, তার জায়গায় একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী এরকম ঘোষণা দিলে হয়তো সেটাকেই ঠিক মনে হতো। কোটা কোটা করে দেশের ভেতরে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছিল, তাকে আরও বাড়তে দিলে রাষ্ট্রের যে অপরিমেয় ক্ষতি হতো, তা বন্ধ করার এর চেয়ে ভালো উপায় হয়তো অনেকেরই মাথায় ছিল। কিন্তু শুরুতেই আলোচনার পথ বন্ধ করে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার দাবিতে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া পক্ষটি ব্যতিক্রম কোনও ঘোষণা দিলে সেটি তারা মেনে নিতো বলে মনে করার কোনও কারণ আছে কি?

আন্দোলন হলো কিন্তু তারপর?

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা কাল সকাল পর্যন্ত সময় নিয়েছেন তাদের অবস্থান জানানোর জন্য। কয়েক রাত উৎকণ্ঠায় কাটানোর পর একটি গুজবহীন রাত হয়তো দেশবাসী কাটাবে। আপাতত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও বিশ্রামে থাকবে। কাল হয়তো নতুন কোনও জল্পনা-কল্পনা নিয়ে শুরু হবে নতুন কিছু। কিন্তু তাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম খুব একটা লাভবান হবে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না। সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হলো এদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নারীর। আন্দোলনকারী নারীদের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন না তুলেই বলছি, জেনে-শুনে-বুঝে যে কুয়োয় আমরা আজকে ঝাঁপ দিলাম, সেখানে ফুলের বাগিচা নেই, আছে কেবল নিকষ অন্ধকার; অন্ধকারে পথ হাঁটতে আমরা প্রস্তুত তো? তখন কি আজকের আন্দোলনের পুরুষ-সঙ্গীরা আপনার পাশে থাকবে? এর আগে কখনও থাকেনি, সামনে থাকবে সে নিশ্চয়তাও নেই মনে হয়। ( সংগ্রহিত)

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি

masuda.bhatti@gmail.com

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

মায়ের চিকিৎসার টাকা মা দেবে, আমারে বলেন কেন?

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

ডা. জামান অ্যালেক্স: মনটা কদিন ধরেই ভালো নেই। অবশ্য যে অদ্ভুত দেশে বসবাস করি সেদেশে মনমেজাজ একটানা Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ উন্নয়নে ৭ দফা দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

মানিক চন্দ্র সরকার: ওঁ নমো ভগবতে পরশুরামায় নমঃ-আপনারা জানেন বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় তীর্থক্ষেত্র মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ। প্রতি বছর অষ্টমী স্নানোৎসব উপলক্ষে নারায়নগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে দেশ ও বিদেশের লাখো পূন্যার্থীর অংশগ্রহনে এক মহামিলন মেলার সৃষ্টি হয়। গত ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ শুক্রবার সকালে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের স্নানোৎসবে এসে পদদলতি হয়ে ১০জন পূন্যার্থীর মৃত্যু ঘটে। তৎপর কি কারনে এই ১০ পূন্যার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে তার প্রধান কয়েকটি কারন বের করে তা সমাধান কল্পে স্থানীয় সংসদসদস্যের পরামর্শে জেলা প্রশাসন তা প্রস্তাব আকারে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশেরে প্রধান জাতীয় তীর্থক্ষেত্র মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের উন্নয়নে সারে তিনশত কোটি টাকা (প্রস্তাবিত অর্থ) বরাদ্ধ দানের ঘোষনা দেন এবং ঘোষনা মোতাবেক বর্তমানে একশ বিশ কোটি টাকা একনেকে অনুমতি দেন। তারই ফলস্রোতীতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিরলস চেষ্টায় বর্তমানে তা বাস্থবায়নে নানাবিধ কার্যক্রম চলছে। ইতি পূর্বে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ উন্নয়নে বেশকিছু প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছিলাম তাতে ওয়েবসাইট ব্যতীত জেলা প্রশাসনের প্রেরিত প্রস্তাবে কয়েকটি প্রস্তাব সংযুক্ত হয়েছে। তাই সে সমস্ত কার্যক্রম বাস্থবায়নের পাশাপাশি বাস্তবতার নিরিখে সারাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ উন্নয়নে আরো ৭ দফা দাবী তুলেধরছি।

দাবীসমূহ:

১.মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের স্রষ্টা বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার ভগবান পরশুরামের স্মৃতিরক্ষাত্রে বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় র্তীথক্ষেত্রকে দেশ ও আন্তর্জাতিকভাবে দর্শণীয় স্থান হিসেবে আরো সুপ্রতিষ্ঠিত করতে শ্রী শ্রী পরশুরাম মডেল বিগ্রহ মন্দির ও মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ সম্পর্কিত বৈদিক দর্শনকে প্রচার ও পর্যটকদের আকর্ষন বাড়াতে বৈদিক জাদুঘর ও প্লানেটরিয়াম করতে হবে।

২. মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দকে বৈদিক পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয়ভাব গাম্ভীর্যের আলোকে তীর্থের পবিত্রতা বজায় থাকে সে বিষয়ে হিন্দুধর্মীয় গবেষকদের মতামতের নিরিখে গড়ে তুলতে হবে।
৩. মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের পবিত্রতা রক্ষাকল্পে তথায় অবস্থিত ব্রহ্মপুত্র নদকে স্থায়ী ভাবে দূষণমুক্ত করতে হবে।
৪. মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের ভূমি রক্ষনাবেক্ষনের জন্য ভূমিরক্ষা সেল গঠন ও জাতীয় তীর্থক্ষেত্রের পূর্নাঙ্গরূপ বাস্থবায়নে তীর্থে অবস্থিত মঠ মন্দির সংস্কার ও পূননির্মাণসহ প্রয়োজনে ভূমি অধিগ্রহন করে ভূমি মালিক ও সেবাইতদের ক্ষতিপূরন দিতে হবে।

৫. সাধুসন্তো, হিন্দু নেতৃবৃন্দ, মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ সেবাক্যাম্প প্রতিনিধি , তীর্থ গবেষকদের সমন্বয়ে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের উন্নয়ন কমিটি গঠন করতে হবে।

৬. মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দের উন্নয়ন প্রকল্প রামুর মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা যথা সময়ে বাস্থবায়ন করতে হবে।

৭. বিশ্বব্যাপী নারায়নগঞ্জের মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ নামটিকে আরো সমাদ্রিত করতে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ পরশুরাম বৈদিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে।
মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ শুধুমাত্র একদিনের জন্য নয় সারা বছর যাতে এই পবিত্র তীর্থস্থানটি দর্শনের ইচ্ছা বিশ্বের পর্যটন পিপাষু ও তীর্থযাত্রীদের মনকে আকর্ষণ করে সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দকে গড়ে তুলতে হবে। উপরোক্ত দাবী গুলো বাস্থবায়িত হলে মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ পাবে তার আসল রূপ আর এতেই আমাদের সকলের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

লেখক: সেক্রেটারী জেনারেল

হিন্দু হেরিটেজ ফাউন্ডেশন

মোবাইল:০১৭২৯৪৯৮৫০৬,০১৯১৮৯৩৭৬৯০

ইমেল: manikhosiery@gmail.com,manikchandrasarkar@ymail.com

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

লড়াই করেও জিততে পারেনি চতুরঙ্গ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

বিডি নিউজ আই, স্পোর্টিস রিপোর্টার: বাগে পেয়েও চতুরঙ্গ ক্রীড়া চক্র হারাতে পারলো না ইসদাইর Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

নোংরা পুরুষের বিরুদ্ধে অদিতির ঘৃণা প্রতিবাদে অভিবাদন

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

অদিতি বৈরাগী ভিকারুন্নেসা স্কুল এন্ড কলেজের যে সংগঠনটির প্রতিনিধিত্ব করছেন তার Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

মৃত্যুর মুখেও জাফর স্যারের অসাধারণ উপদেশ

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

দস্তগীর জাহাঙ্গীর,ওয়াশিংটন থেকে: “তোমরা এতো হৈচৈ করো না, যতদূর আমি নিজে কন্ট্রোল করতে Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

ডিইউজে নির্বাচনে কি হয়েছে, কেন হয়েছে?

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

পুলক ঘটক: গতবার যিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতার কাছাকাছিও আসতে পারেননি এবার তিনি বিপুল Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

কবি কাব্যসেবী সুর বুলবুলি মনন সম্পাদক আনজুমান আরা অনু

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

মোঃ শামীম চৌধুরী: চলে গেলেন নারায়ণগঞ্জ সঙ্গীতাঙ্গনের সু-পরিচিত মুখ সুর ও সঙ্গীত সাধক সদা হাস্যোজ্জ্বল Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

হোলি বা দোল উৎসব এর ইতিবৃত্ত

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

রনজিৎ মোদক : হিন্দুধর্ম ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও উৎসবের আনন্দে মানবতার বাণীকেই ধারণ করে আছে যুগ যুগ Read the rest of this entry »

Share this...
Print this pageShare on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn