অনিয়মের অভিযোগ হাজী মিছির আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বিরুদ্ধে

বিডি নিউজ আই, নারায়ণগঞ্জ : নারায়নগঞ্জ সদরের অন্যতম বিদ্যাপাঠ হাজী মিছির আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। লেখা পড়ার মানের দিক থেকে ও বেশ নাম ডাক রয়েছে। কিন্তু, বেশ কিছুদিন যাবত এই কলেজ সম্পর্কে অনিয়মের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

জানা যায়, ২০১৮ ইং সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষার কেন্দ্রে ছাত্রদের গায়ে হাত তোলার মত অভিযোগ উঠেছিলো এই কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু, পরক্ষনে ই শিক্ষকদের চাপের মুখে পরে এবং ব্যবহারিক নাম্বার এর ভয়ে এই বিষয়টা ধামাচাপা পরে যায়।
এ ছাড়া এই কলেজের বিরুদ্ধে বর্ধিত ফি আদায় করার ও অভিযোগ রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে। ঠিক এই রকম ই একটি অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ছাত্ররা দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এমপি মহোদয়ের এবং প্রশাসনের। নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ানো অভিযোগটি।

#we_want_justice
#রিপোর্টাররা_আমাদের_সাহায্য_করুন
সবার দৃষ্টি আকষর্ণ করছি,
আমাদের নারায়ণগঞ্জে কম বেশি অনেক কলেজ আছে। যেমন: নারায়ণগঞ্জ কলেজ,কদম রসুল কলেজ,তোলারাম কলেজ সহ আরোও অনেক কলেজ।
সরকারি কলেজের অনার্স ১ম বর্ষে ফর্ম ফিলাপ সম্ভবত ২৫০০/৩০০০ টাকা
আর বেসরকারি কলেজ গুলোতে সব্বোর্চ ৪০০০ টাকা যেমন: নারায়ণগঞ্জ কলেজে ৩৫০০ টাকা মাত্র। কিন্তু আমাদের হাজি মিসির আলি কলেজে ১ম বর্ষ অনার্সের ফর্ম ফিলাপের জন্য ৬৭৫০ টাকা দাবি করছে
এমতাবস্থায়,সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বিবেচনা না করে তারা নিজেদের মন গড়া একটা টাকার অংক ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে
ইতিমধ্যে অনেক ছাত্রদের পড়ালেখা জীবন শেষ হওয়ার উপক্রম হয়েছে তাদের টাকা দিতে দিতে
সবার টাকা অংক খাতায় লেখার মতো কোনো সংখ্যা না
আর বেতন এর কথা নাই বা বললাম
নারায়ণগঞ্জ কলেজের বেতন ৫০০ টাকা
আর আমাদের ৭০০ টাকা
একটু বিবেক দিয়ে ভাবেন!
আমরা ইতিমধ্যে দুইবার ইনকোর্স পরিক্ষা দিয়ে ফেলেছি
প্রতি ইনকোর্স ফি নিয়েছে ৫০০টাকা করে!
শনিবার থেকে টেস্ট পরিক্ষা শুরু
টেস্ট পরিক্ষার ফি ধরেছে ৭০০ টাকা
ভাবা যায়!
সাথে জুন মাসের বেতনসহ পরিশোধ করতে বলছে
কিছুদিন আগে দুইমাসের বেতন সাথে ৫০০ টাকা ইনকোর্স ফি দিয়েছি
এক সপ্তাহ না যেতেই ফর্ম ফিলাপের এত টাকা
একটু ভাবুন!
কি যাচ্ছে আমাদের উপর আর আমাদের বাবা-মা দের উপর দিয়ে!
আমরা যারা ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবো
আমাদেরই আজ বেহাল অবস্থা
আমরা এমপি শামিম ওসমান স্যারের দৃর্ষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের বাবার রক্তের ঘাম জড়ানো টাকা যাতে এইভাবে অপচয় না হয় আর গরিবদের লেখাপড়া সচল থাকে এইটাই প্রত্যাশা করসি
গ্রুপের সবাই এই ব্যাপারটা দেখবেন প্লিজ
আমরা ছাত্র মানুষ আমাদের উপর যদি এইভাবে জুলুম করা হয়
তাহলে ভবিষ্যতের ছাত্র-ছাত্রীদের অবস্থা হতে পারে আরোও ভয়াবহ

এই অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের পিতা-মাতা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এমপি মহোদয় সহ প্রশাসন এবং শিক্ষা বোর্ডের উর্ধতন কর্মকর্তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *