ভোটে ফিরতে আপিল খালেদা জিয়ার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মীর হেলাল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, হাইকোর্টে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি। এ কারণে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। আগামীকাল এ বিষয়ে চেম্বার আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না খালেদা জিয়া।

নির্বাচনে অংশ নিতে তিনটি রিটের শুনানি শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তৃতীয় বেঞ্চ খারিজ করে দেন।

এর আগে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা রিট আবেদনের ওপর গত ১১ ডিসেম্বর দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দ্বিধাবিভক্ত এ আদেশ দেন। যার ফলে মামলাটির নথি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়।

এরপর মামলাটি শুনতে বিচারপতি জে বি এম হাসানের একক বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। কিন্তু এই আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী শুনানি করতে অনাস্থা প্রকাশ করলে আদালত তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানির পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের চার কমিশনার এ সিদ্ধান্ত দেন। শুনানিতে প্রার্থিতা বহালের পক্ষে শুধু মত দেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

পরে প্রার্থিতা বাতিল করা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন কমিশনের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনটি রিট দায়ের করা হয়।

খালেদা জিয়া বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু দুটি মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাঁর মনোনয়নগুলো বাতিল করে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *