মিথ্যা মামলা দিয়েও ক্ষান্ত হচ্ছেনা পাইকপাড়া’র ডলফিন

নিজস্ব সংবাদদাতা:নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন পাইকপাড়া-নয়াপাড়া এলাকার বাদলের ছেলে ইস্রাফিল হোসেন ওরফে ডলফিন (৩৭) এর সন্ত্রাসী হামলা ও অব্যহত হুমকিতে নিরপত্তাহীনতায় ভুগছে দেওভোগ পানির টাংকি এলাকার জনি।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর থানার পাইকপাড়া-নয়াপাড়া রোড এলাকার শাহাদাৎ হোসেন ওরফে বাদল এর ছেলে ইস্রাফিল হোসেন ডলফিন দীর্ঘদিন যাবৎ বেনামী সমিতির সাইবোর্ডে উচ্চ সুদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অবৈধ সুদের ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী শেল্ডার নিয়ে বিপথগ্রস্থ মানুষের সাথে প্রতারনা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে প্রকাশ, নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার পানির টাংকি সাহাপাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে হৃদয় আহমেদ জনি (৩৭) ও সেই প্রতারনার শিকার হয়েছে। জনি ব্যবসা করতে বাধ্য হয়ে একসময় ডলফিনের কাছ থেকে সুদে টাকা নেয়। সে সময় নিরাপত্তার কথা বলে প্রতারক ডলফিন জনির কাছ থেকে খালি চেকের পাতা রাখে। পরবর্তীতে জনি ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলে প্রতারক সুদ ব্যবসায়ী ডলফিন স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে টাকা আদায়ে নানা ধরনের চাপ দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে স্থানীয় বিচার শালিশের মাধ্যমে জনি সুদ ব্যবসায়ী প্রতারক ডলফিনের টাকা পরিশোধ করে। খালি চেক ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও ডলফিন নানা অজুহাতে জনিকে ঘুরাতে থাকে এবং নানা প্রকার হুমকি-ধমকি দিতে থাকে ও আরো টাকা দাবী করে। এরপর গন্যমান্যদের পরামর্শে জনি সদর থানা পুলিশকে অবহতি পূর্বক ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে চেক বন্ধের আবেদন করে।

এদিকে, সন্ত্রাসী প্রতারক সুদখোর ডলফিন বিভিন্নভাবে জনি ও তার জান-মাল এর ক্ষতি করার অপচেষ্টা চালিয়ে যায় এবং ব্যাংককে ম্যানেজ করে জনির বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মিথ্যা মামলা করে। তাতেও ক্ষান্ত্র হয়নি প্রতারক ডলফিন। আদালতে চেকের মামলাটি চললেও প্রতারক ডলফিন জানুয়ারী মাসের ২৫ তারিখ রাতে স্ব-দলবলে জনির উপর হামলা চালায়।

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জনি বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে জনির উপর ঝাপিয়ে পরে এবং কিল ঘুষি লাথি মারতে থাকে। সে সময় আশে-পাশের মানুষজন ছুটে এলে সন্ত্রাসী ডলফিন তার বাহীনি নিয়ে জনিকে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে অব্যাহতভাবে জনিকে মোবাইল সহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েই যাচ্ছে। এ’ব্যাপারে জনি ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী করে, যার নং-৩৮/তাং-০১.০২.১৯।

বর্তমানে জনি ও তার পরিবার জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভয়ে দিন যাপন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *