বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের প্রধান প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। বৃহস্পতিবার সকালে মহাপরিচালক পদে তিনি তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালকের নাম ঘোষণা করা হয়। যেখানে জানানো হয়, তিন বছর মেয়াদী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

এর মধ্য দিয়ে গত ১০ বছর বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা শামসুজ্জামান খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন হাবিবুল্লাহ সিরাজী। গত মে মাসে শামসুজ্জামান খানের মেয়াদ শেষ হলে পদটি শূন্য হয়।

আশির দশকে জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী ২০১৬ সালে একুশে পদক পান। তার আগে ১৯৯১ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফরিদপুরে জন্ম নেওয়া এই কবির কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩২টি। কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথাও লিখেছেন তিনি।
হাবিবুল্লাহ সিরাজীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’,‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘মধ্যরাতে দুলে ওঠে গ্লাশ’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘প্রেমের কবিতা’,‘কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘সিংহদরজা’, ‘জয় বাংলা বলোরে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা’, ‘কতো কাছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’ ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’, ‘ইতিহাস বদমাশ হলে মানুষ বড়ো কষ্ট পায়’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *